পচেফস্ট্রুম থেকে সিলেট—সাইফউদ্দিনের পিছু ছাড়ল না প্রসঙ্গটি। ওই ওভার ডেভিড মিলারের কাছে এমন এক সুখস্মৃতি, যেটি তাঁর যতবার মনে পড়বে ততই সুখের অনুরণন হবে হৃদয়ে। অন্যদিকে সাইফউদ্দিনের কাছে সেটি শুধুই দুঃসহ স্মৃতি। কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালোবাসে! টিলার কোলে সৌন্দর্যের ডালি সাজিয়ে বসা সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে বিপিএল-উৎসবের আগ মুহূর্তে সাইফের সামনে এসে পড়ল অপ্রিয় প্রসঙ্গটি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি এতটাই বাজে হয়েছে সাইফউদ্দিনের, সেটিতে মনে রাখার কিছু আর অবশিষ্ট থাকেনি। অথচ ১৯তম ওভারের আগে ম্যাচে তাঁর বোলিং ছিল দেখার মতোই, ৩ ওভার ২২ রান ২ উইকেট। উইকেট দুটি আবার এবি ডি ভিলিয়ার্স ও হাশিম আমলার। স্বপ্নের মতো একটা বোলিং ফিগার নিয়েই শেষ করতে পারতেন ইনিংসটা। অথচ সব তছনছ করে দিলেন ‘কিলার’ মিলার, এক এক করে টানা পাঁচটা ছয় মেরে! ব্যস্ততায় ঠাসা এই সূচিতে গতকালের ম্যাচ নিয়েই যেখানে বসে থাকার সুযোগ নেই ক্রিকেটারদের, সেখানে গত হয়ে যাওয়া এক সিরিজ! সাইফউদ্দিনও আর মনে রাখতে চান না পেছনের ব্যর্থতার গল্প, ‘কী বলব! আমি নিজেই আসলে ওটা ভুলে গেছি। আমি ভালো খেলি বা খারাপ খেলি, ভুলে যাই। ভবিষ্যতে কী করব, সেটা নিয়ে চিন্তা করি। সামনে ভালো করাটাই আমার লক্ষ্য।’ তবে সাইফউদ্দিন শিখেছেন অনেক। দক্ষিণ আফ্রিকায় যে শিক্ষাটা হয়েছে সেটি সামনেও কাজে লাগাতে চান তরুণ এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার, ‘এটা খেলারই অংশ। এ নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। যেটা চলে গেছে সেটা নিয়ে ভেবে তো লাভ নেই। ভবিষ্যতে কীভাবে ভালো করব, কীভাবে উন্নতি করব, সেই লক্ষ্য থাকবে।’ দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের পরপরই শুরু হয়ে যাচ্ছে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ঘরোয়া টুর্নামেন্ট বিপিএল। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের হয়ে এই টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত কিছুর লক্ষ্য সাইফউদ্দিনের, ‘যেহেতু মাত্রই জাতীয় দলের হয়ে টি-টোয়েন্টি খেলে এসেছি, চেষ্টা থাকবে সেরা পাঁচ বোলারের মধ্যে থাকার, দলকে ভালো কিছু দেওয়ার। যদিও গত বছর আমরা দলকে সেভাবে কিছু দিতে পারিনি। যেহেতু এবার তারা আমাকে ধরে রেখেছে, আস্থা রেখেছে আমার ওপর। চেষ্টা করব দলের জন্য অবদান রাখতে।’ সেটি করতে পারলে হয় এখন। দক্ষিণ আফ্রিকায় যে দগদগে ক্ষত তৈরি হয়েছে, সেটির জ্বালা যদি কমে সাইফউদ্দিনের!
hello bro how are you
উত্তরমুছুনপচেফস্ট্রুম থেকে সিলেট—সাইফউদ্দিনের পিছু ছাড়ল না প্রসঙ্গটি। ওই ওভার ডেভিড মিলারের কাছে এমন এক সুখস্মৃতি, যেটি তাঁর যতবার মনে পড়বে ততই সুখের অনুরণন হবে হৃদয়ে। অন্যদিকে সাইফউদ্দিনের কাছে সেটি শুধুই দুঃসহ স্মৃতি। কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালোবাসে! টিলার কোলে সৌন্দর্যের ডালি সাজিয়ে বসা সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে বিপিএল-উৎসবের আগ মুহূর্তে সাইফের সামনে এসে পড়ল অপ্রিয় প্রসঙ্গটি।
উত্তরমুছুনদক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি এতটাই বাজে হয়েছে সাইফউদ্দিনের, সেটিতে মনে রাখার কিছু আর অবশিষ্ট থাকেনি। অথচ ১৯তম ওভারের আগে ম্যাচে তাঁর বোলিং ছিল দেখার মতোই, ৩ ওভার ২২ রান ২ উইকেট। উইকেট দুটি আবার এবি ডি ভিলিয়ার্স ও হাশিম আমলার। স্বপ্নের মতো একটা বোলিং ফিগার নিয়েই শেষ করতে পারতেন ইনিংসটা। অথচ সব তছনছ করে দিলেন ‘কিলার’ মিলার, এক এক করে টানা পাঁচটা ছয় মেরে!
ব্যস্ততায় ঠাসা এই সূচিতে গতকালের ম্যাচ নিয়েই যেখানে বসে থাকার সুযোগ নেই ক্রিকেটারদের, সেখানে গত হয়ে যাওয়া এক সিরিজ! সাইফউদ্দিনও আর মনে রাখতে চান না পেছনের ব্যর্থতার গল্প, ‘কী বলব! আমি নিজেই আসলে ওটা ভুলে গেছি। আমি ভালো খেলি বা খারাপ খেলি, ভুলে যাই। ভবিষ্যতে কী করব, সেটা নিয়ে চিন্তা করি। সামনে ভালো করাটাই আমার লক্ষ্য।’
তবে সাইফউদ্দিন শিখেছেন অনেক। দক্ষিণ আফ্রিকায় যে শিক্ষাটা হয়েছে সেটি সামনেও কাজে লাগাতে চান তরুণ এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার, ‘এটা খেলারই অংশ। এ নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। যেটা চলে গেছে সেটা নিয়ে ভেবে তো লাভ নেই। ভবিষ্যতে কীভাবে ভালো করব, কীভাবে উন্নতি করব, সেই লক্ষ্য থাকবে।’
দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের পরপরই শুরু হয়ে যাচ্ছে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ঘরোয়া টুর্নামেন্ট বিপিএল। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের হয়ে এই টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত কিছুর লক্ষ্য সাইফউদ্দিনের, ‘যেহেতু মাত্রই জাতীয় দলের হয়ে টি-টোয়েন্টি খেলে এসেছি, চেষ্টা থাকবে সেরা পাঁচ বোলারের মধ্যে থাকার, দলকে ভালো কিছু দেওয়ার। যদিও গত বছর আমরা দলকে সেভাবে কিছু দিতে পারিনি। যেহেতু এবার তারা আমাকে ধরে রেখেছে, আস্থা রেখেছে আমার ওপর। চেষ্টা করব দলের জন্য অবদান রাখতে।’
সেটি করতে পারলে হয় এখন। দক্ষিণ আফ্রিকায় যে দগদগে ক্ষত তৈরি হয়েছে, সেটির জ্বালা যদি কমে সাইফউদ্দিনের!